জাতিসংঘে যুক্তরাষ্ট্র-ইরান বৈঠক
জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনের ফাঁকে নিউইয়র্কে মার্কিন দূত স্টিভ উইটকফ ও ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচির নেতৃত্বে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে কয়েক দফা পরোক্ষ ও প্রত্যক্ষ আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়েছে [০.৬.৩, ০.৬.৪, ০.৬.১০]
রাশেদুল ইসলাম (শাওন ) · বিশেষ সংবাদদাতা
৩ মিনিট পাঠ

AI Overview
জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনের ফাঁকে নিউইয়র্কে মার্কিন দূত স্টিভ উইটকফ ও ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচির নেতৃত্বে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে কয়েক দফা পরোক্ষ ও প্রত্যক্ষ আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়েছে [০.৬.৩, ০.৬.৪, ০.৬.১০]।
বৈঠকের মূল বিষয়বস্তু ও আলোচনা
প্রস্তাব ও শর্ত: কাতার ও পাকিস্তানের মধ্যস্থতায় অনুষ্ঠিত এসব বৈঠকে ইরান ৭ দফার একটি রোডম্যাপ তুলে ধরে [০.৬.৩, ০.৬.৫]। এর মধ্যে রয়েছে মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধবিরতি, হরমুজ প্রণালি পুনরায় খুলে দেওয়া এবং জব্দ থাকা ইরানি সম্পদ ছাড়ের বিনিময়ে পারমাণবিক ইস্যুতে আলোচনায় ফেরা [০.৬.৩, ০.৬.৫, ০.৬.৯]।
মার্কিন হুমকি ও প্রতিক্রিয়া: মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প জাতিসংঘে দেওয়া ভাষণে ইরানকে বড় সিদ্ধান্ত নেওয়ার আহ্বান জানান এবং সামরিক পদক্ষেপ বা চুক্তির হুঁশিয়ারি দেন [০.৬.৪]। অন্যদিকে মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও জানান, ইরান যেন কখনোই পারমাণবিক অস্ত্র অর্জন করতে না পারে, সে বিষয়ে যুক্তরাষ্ট্র সতর্ক রয়েছে [০.৬.১৪]।
বর্তমান পরিস্থিতি ও অচলাবস্থা: দুই পক্ষের মধ্যে ৩ ঘণ্টার উৎপাদনশীল বৈঠক হলেও [০.৬.৪] প্রস্তাব বাস্তবায়নের ক্রম ও শর্ত নিয়ে মতপার্থক্য কাটেনি [০.৬.৩]। পরবর্তীতে আলোচনা থমকে যাওয়ায় মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিওর নির্দেশে ইরানি প্রতিনিধিদলকে নিউইয়র্ক ছাড়তে বলা হয় [০.৬.১]। তবে ইরান বহিষ্কারের বিষয়টি অস্বীকার করে জানিয়েছে তাদের পূর্বনির্ধারিত সূচি অনুযায়ীই তারা তেহরানে ফিরেছে [০.৬.২]।
আপনি কি যুক্তরাষ্ট্র-ইরান সম্পর্কের এই সাম্প্রতিক কূটনৈতিক অচলাবস্থা ও মধ্যপ্রাচ্যের বর্তমান ভূরাজনীতি সম্পর্কে আরও কোনো নির্দিষ্ট তথ্য জানতে চান?
রাশেদুল ইসলাম (শাওন )
বিশেষ সংবাদদাতা

